নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
ধর্মীয় উৎসবের দিনগুলোতেও ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়া নতুন কিছু নয়। জাতীয় দলের বহু ম্যাচ ঈদের ছুটির সময়ে মাঠে গড়াতে দেখা গেছে, যার বড় অংশই হয়েছে ভিনদেশে। তবে দেশের মাটিতে ঈদের সময়টাতে আন্তর্জাতিক তো বটেই, ঘরোয়া ক্রিকেটের লড়াইও সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। শারদীয় দুর্গোৎসবের ক্ষেত্রে অবশ্য এই নিয়মটি সবসময় প্রযোজ্য হয় না। ফলে পূজার আনন্দ বিসর্জন দিয়ে ক্রিকেটের পিচেই ব্যস্ত সময় পার করতে হয় শুভাগত হোমদের.
আজকের পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে শুভাগত গতকাল বলেন, পূজার আগমন ও প্রস্থান কখন ঘটে তা তিনি বুঝতেই পারেন না। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি জানান, কিছুটা খারাপ লাগা কাজ করা স্বাভাবিক। কারণ তার নিজ বাড়িতে পূজার আয়োজন করা হয় এবং পরিবারের সদস্যরাও চান তিনি তাদের সঙ্গে সময় কাটান। কিন্তু পেশাগত কারণে সেটি সবসময় সম্ভব হয়ে ওঠে না বলে জানান তিনি।
নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময়ে পরিবারের সঙ্গে শারদীয় উৎসব কাটানোর সুযোগ পাওয়ার কথা বলতে গিয়ে শুভাগত জানান, তার পুরো ক্যারিয়ারে বড়জোর দুই কিংবা তিন বছর তিনি পরিবারের সঙ্গে পূজা উদ্যাপন করতে পেরেছেন। পেশাগত দাবি মেটাতে গিয়ে এই ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতেই হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই সঙ্গে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে মানসিক দিক থেকেও যথেষ্ট শক্ত থাকার ওপর জোর দেন এই ক্রিকেটার।
Daily Diner Alo