ঢাকা | বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে এমবিএ ও পিএইচডিধারীরাও পচ্ছেন না কাজ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 23, 2026 ইং
যুক্তরাষ্ট্রে এমবিএ ও পিএইচডিধারীরাও পচ্ছেন না কাজ ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কর্মসংস্থানে বেহাল দশা বিরাজ করছে। গত তিন বছর দেশটিতে বেকারত্বের হার ৩.৫ থেকে ৪.৩ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করলেও ভুক্তভোগী চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন যে কাজের সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডির সাবেক কর্মকর্তা অ্যালিসিয়া কনট্রেরাসও এই একই সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন।

গত এপ্রিলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে তিনি নিজের এই অভিজ্ঞতার কথা জানান। ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে সংস্থাটির বৈদেশিক কার্যক্রমের সিংহভাগ বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই তিনি মূলত পেশাগত জীবনে এই জটিলতায় পড়েন।

কনট্রেরাস এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং সরকারি সেবামূলক খাতে তাঁর ১৭ বছরের দীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসি এলাকায় ফিরে আসার পর তিনি মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে প্রায় এক শটি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদনপত্র জমা দেন।

এত যোগ্যতা ও আবেদন সত্ত্বেও তাঁর ভাগ্যে কোনো চাকরির প্রস্তাব জোটেনি। কনট্রেরাস সংবাদমাধ্যমটিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান যে বর্তমান কর্মবাজারের পরিস্থিতি খুবই হতাশাজনক।

তিনি বলেন, এই সময়ে একবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় ভিডিও ইন্টারভিউ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাকে কেবল ব্যর্থতা ও প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাঁর জোরালো ধারণা, বর্তমান বাজারে কাজের সুযোগের তুলনায় প্রার্থীর সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় ঢের বেশি।

এদিকে অ্যান্ড্রু হাডসনের জবস লিস্ট ইনকর্পোরেটেড সম্প্রতি প্রায় ২১৮ জন চাকরিপ্রার্থীর ওপর একটি মতামত সমীক্ষা পরিচালনা করে। সেই জরিপের ফলে উঠে এসেছে এক উদ্বেগজনক চিত্র।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা জানান, তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার পরও নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে কোনো প্রকার ফিডব্যাক বা উত্তর না পেয়ে ভীষণ উদ্বিগ্ন রয়েছেন।

অন্যান্য চাকরিপ্রার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গিয়ে নানা ধরনের জটিলতার কথা তুলে ধরেন। তাদের মধ্যে বয়সভিত্তিক বৈষম্য, অতিরিক্ত মাত্রায় তীব্র প্রতিযোগিতা এবং ভুয়া বা প্রতারণামূলক চাকরির বিজ্ঞাপনের আতঙ্ক অন্যতম।

এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের কেউ কেউ এমন আশঙ্কার কথাও ব্যক্ত করেছেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নির্বিচার ব্যবহার পুরো ব্যবস্থাটিকে আরও বেশি যান্ত্রিক করে তুলছে। এর ফলে নিয়োগকর্তাদের সাথে চাকরিপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও মানবিক সংযোগ দিন দিন সম্পূর্ণ হারিয়ে যাচ্ছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Daily Diner Alo

কমেন্ট বক্স
৪৬০০ পদের আরআরএফ নিয়োগে পরীক্ষা আম্বরখানায়

৪৬০০ পদের আরআরএফ নিয়োগে পরীক্ষা আম্বরখানায়