নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
জামায়াত নেতা আযাদের কাছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি দলের জোট গঠনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি স্পষ্ট জানান যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই রাজনৈতিক ঐক্য আগের মতো অটুট এবং দৃঢ় থাকবে।
আসন্ন কর্মসূচি হিসেবে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা, খুলনা ও কুষ্টিয়ামুখী একটি গুরুত্বপূর্ণ লংমার্চের বিস্তারিত পরিকল্পনা সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ওই দিন সকাল সাতটায় রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ ফটক প্রাঙ্গণে লংমার্চের মূল উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে প্রায় এক হাজার ব্যক্তিগত ও পাজারোসহ বিভিন্ন ধরনের গাড়ির একটি বিশাল বহর নিয়ে লংমার্চের গাড়িগুলো সকাল আটটায় নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হবে এবং পদ্মা সেতু হয়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করবে।
এই সুদীর্ঘ যাত্রাপথে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাটের ফকিরহাট এবং খুলনার রূপসা ব্রিজ পার হয়ে লংমার্চের বহর সরাসরি খুলনার দিকে এগিয়ে যাবে।
খুলনা পৌঁছানোর পর সেখান থেকে যশোর ও ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন পয়েন্ট অতিক্রম করে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে আয়োজিত বিশাল সমাপনী সমাবেশে লংমার্চের পুরো বহরটি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে।
১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, লংমার্চের এই পুরো দীর্ঘ পথিমধ্যে সর্বমোট ছয়টি স্থানে বড় ধরনের পথসভা আয়োজনের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি রয়েছে।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম পথসভাটি সকাল নয়টায় শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তীতে বেলা ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটে আরেকটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনার বাবরী চত্বরে এবং দুপুর দুইটায় ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে লংমার্চের বহর থামিয়ে নির্ধারিত পথসভাগুলো সম্পন্ন করা হবে।
পরবর্তীতে বিকেলের দিকে লংমার্চের বহরটি যশোরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এবং বিকেল সাড়ে তিনটায় যশোরের মুড়লীর মোড়ে নির্ধারিত পথসভায় নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখবেন।
সবশেষে বিকেল পাঁচটায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল চত্বরে দিনের সর্বশেষ ও সমাপনী পথসভাটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
Daily Diner Alo