নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
প্রাথমিক পর্যায়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুরুতর অভিযোগ ওঠায় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে নতুন প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেছিল। পরবর্তীতে সেই নতুন প্রশ্নপত্রগুলো ফটোকপি করার কাজের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ঠিক সামনে অবস্থিত জনি ফটোস্ট্যাট নামের একটি দোকানে পাঠানো হয়। আর এই দোকানে পাঠানোর পরেই সেখানে দ্বিতীয় দফায় আবারও প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার নতুন অভিযোগ চাউর হয়। তবে এই চাঞ্চল্যকর ও সংবেদনশীল ঘটনার সঙ্গে ঠিক কারা বা কোন চক্রটি সরাসরি জড়িত রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে সহকারী কমিশনার মির্জা শহিদুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত জনি ফটোস্ট্যাটে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এই আকস্মিক অভিযানের পরপরই জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার স্বয়ং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়টি সরেজমিন পরিদর্শনে যান এবং সেখানে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক পরীক্ষা পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। এ সময় তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন যে, এই পুরো প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের তদারকি বা নজরদারির ক্ষেত্রে স্পষ্ট ঘাটতি রয়েছে।
সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি আগের পরীক্ষা কমিটির সকল সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ করার নির্দেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে উদ্ভূত সংকট মোকাবেলায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নতুন পরীক্ষা কমিটি গঠন করারও স্পষ্ট নির্দেশনা দেন তিনি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
Daily Diner Alo