নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
রূপচর্চায় ব্লাশন লাগানোর ক্ষেত্রে সঠিক ব্রাশ নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়। যেসব ব্রাশের ঘনত্ব বেশ বেশি, সেগুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণে প্রসাধন আটকে যায় এবং এর ফলে মুখে এর ব্যবহারও বেশি হয়ে পড়ে। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে হালকা ঘনত্বের ব্রাশ বেছে নেওয়া উচিত, যেখানে অল্প করে প্রসাধন নিয়ে ব্রাশটি একটু হালকাভাবে ঝেড়ে অতিরিক্ত অংশ ফেলে দিতে হবে। এরপর ত্বকে এটি ব্যবহার করলে এর প্রকাশ অত্যন্ত স্বাভাবিক ও নান্দনিক দেখায়।
বর্তমানে কসমেটিকসের বাজারে গোলাপি, পাম, পিচ এবং বাদামি রঙের ব্লাশন কিনতে পাওয়া যায়। মূলত প্রতিটি রং আলাদা ধরনের ত্বকের টোনের সঙ্গে মানানসই হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। যাদের ত্বক ফরসা, তাদের জন্য গোলাপি এবং উজ্জ্বল পিচ রঙের প্রসাধন সবচেয়ে বেশি মানিয়ে যায়। অন্যদিকে, শ্যামলা কিংবা কিছুটা গাঢ় ত্বকের অধিকারীদের সঙ্গে পাম অথবা বাদামি রঙের প্রসাধন বেশ ভালোভাবেই মানিয়ে যায়।
উল্লেখ্য যে, বাদামি রঙের প্রসাধনটি যেকোনো ধরনের ত্বকের সঙ্গেই চমৎকারভাবে মানিয়ে নিতে পারে। তাই নিজের স্কিন টোনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রসাধনটি বেছে নিতে পারলে চেহারায় দারুণ একটি সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। যেসব প্রসাধন বিক্রির দোকানে টেস্টার ব্যবহারের সুব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে গিয়ে যাচাই করে খুব সহজেই নিজের ত্বকের উপযোগী সঠিক পণ্যটি খুঁজে নেওয়া সম্ভব।
বিভিন্ন ধরনের ফর্মুলা বা উপাদানের ব্লাশন বর্তমানে বাজারে পাওয়া যায়, যার মধ্যে পাউডার ও ক্রিম জাতীয় প্রসাধনগুলোর চল সবচেয়ে বেশি। ব্যক্তির নিজস্ব ত্বকের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে সঠিক ফর্মুলার পণ্যটি নির্বাচন করা আবশ্যক। যাদের ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির, তাদের ক্ষেত্রে পাউডার ব্লাশন ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো এবং এটি ব্যবহার করাও বেশ সহজ।
এর বিপরীতে, শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের জন্য ক্রিম জাতীয় প্রসাধনই সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। তবে প্রসাধন হিসেবে যাই ব্যবহার করা হোক না কেন, সেটি যেন ত্বকে সঠিকভাবে ব্লেন্ড করা হয় সেদিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে; অন্যথায় দেখতে একেবারেই ভালো লাগবে না।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
Daily Diner Alo