
নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
ইরানপন্থি সশস্ত্র বাহিনী হুতিদের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি শ্রমিক মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ আগামীকালের মধ্যে স্বদেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আগামী শুক্রবার সকালের দিকে বিশেষ একটি ফ্লাইটে ঢাকার প্রধান বিমানবন্দর এলাকায় তার কফিন নামানোর নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমে পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দর চত্বরের নির্দিষ্ট কার্গো প্রান্তরে এই মরদেহ গ্রহণ করতে সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।
গত মাসের দশ তারিখে রিয়াদ শহরের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চত্বরে ওই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছিল। তৎকালীন ওই সহিংস ঘটনায় প্রবাসী কর্মী শাহেদসহ মোট চৌদ্দজন প্রাণ হারিয়েছিলেন। নিহত শাহেদের পৈতৃক নিবাস বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানার মাদলা জনপদে। তার বাবা ও মায়ের নাম যথাক্রমে মো. রফিকুল ইসলাম এবং শাহেরা বেগম।
নিহত শাহেদ সৌদির একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের অধীনে জেদ্দা এলাকার প্রকল্পে প্লাম্বার পদে চাকরি করতেন। মধ্যপ্রাচ্যের ওই রাষ্ট্রে অবস্থানের জন্য তার কাছে বৈধ অনুমতিপত্র বা ইকামা ছিল। পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুর কারণে তিনি কিছুদিনের ছুটি নিয়ে নিজ দেশে এসেছিলেন।
ছুটি শেষে বিমানবন্দর দিয়ে জেদ্দায় কর্মস্থলে ফেরার পথে তিনি এই মর্মান্তিক বিপদের মুখে পড়েন। স্মরণ করা যেতে পারে, উক্ত বিমানবন্দর হামলায় শাহেদ ছাড়াও আরও একজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ওই প্রবাসীর নাম মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরী এবং তার বাড়ি কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট এলাকার বদরপুর গ্রামে। সে সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল যে ওই একই দুর্ঘটনায় চব্বিশজন বাংলাদেশি নাগরিক বিভিন্ন মাত্রায় জখম হয়েছিলেন।