নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম সিরাজগঞ্জ জেলায় নদীর বুকে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ বালুচর ও সেখানকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে কেন্দ্র করে বর্ণিল আয়োজনে ‘চর উৎসব’ সম্পন্ন হয়েছে।
যমুনা নদীর বুক চিরে গড়ে ওঠা চরাঞ্চলগুলোতে পর্যটনের বিপুল ও অপার সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে নিবিড়ভাবে পরিচিত করানো, স্থানীয় সংস্কৃতি রক্ষা করা এবং চরাঞ্চলকে আকর্ষণীয় ভিলেজ ট্যুরিজমের অন্যতম গন্তব্য হিসেবে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরাই ছিল এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য।
শহরবাসীর সঙ্গে চরের সরল মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং এর হাত ধরেই স্থানীয় সংস্কৃতির বহুমাত্রিক বিকাশ ঘটবে বলে সংশ্লিষ্টরা জোরালো প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
সমধারার সভাপতি এবং সংবাদকর্মী আব্দুল্লাহ আল সাফি এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, চরাঞ্চলের নিজস্ব আবহমান সংস্কৃতি, অনন্য ঐতিহ্য, মুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে এক বিশাল সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত রয়েছে।
যমুনার বুকে রোমাঞ্চকর নৌভ্রমণ এবং চারপাশের প্রকৃতির মেলবন্ধনে পর্যটনের একটি সম্পূর্ণ নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
প্রধানত চরের সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমেই এই বর্ণাঢ্য উৎসবের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন এই সংগঠক।
আয়োজনে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার, লোকজ সাজসজ্জা এবং নিজস্ব সংস্কৃতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে বিশেষ করে শহুরে মানুষ এবং উঠতি বয়সীরা চরের মানুষের জীবনধারা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
Daily Diner Alo