নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
সীমান্তবর্তী ও ঝুঁকিপূর্ণ জনপদসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রাসায়নিক সারের মজুত, সরবরাহ এবং বিক্রয় প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসকদের বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন বা বিসিআইসি।
অবৈধ উপায়ে সার সংরক্ষণ, কালোবাজারিতে বিক্রি এবং সীমান্ত দিয়ে অন্য দেশে পাচার করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দায়িত্বশীল অন্যান্য সংস্থাকে নিয়ে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সারের বাজারে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এই চিঠিতে।
এমন নানামুখী পদক্ষেপে কৃষকেরা তাঁদের প্রয়োজনীয় সার সঠিক সময়ে এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের মধ্যেই পেয়ে যাবেন বলে দৃঢ় আশা প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটি।
এর ফলে সামগ্রিক সারের সরবরাহ ব্যবস্থাপনা আরও বেশি সুসংহত হবে এবং কৃষিকাজে এর কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থাদের সম্মিলিত প্রয়াস এবং জোরালো নজরদারির মাধ্যমেই কেবল সারের অবৈধ মজুত, কালোবাজারি ও পাচারের মতো অপরাধগুলো সফলভাবে রোধ করা সম্ভব বলে বিসিআইসি বিশ্বাস করে।
সর্বোপরি, মাঠপর্যায়ে কৃষকদের জন্য নির্ধারিত সরকারি মূল্যে সারের অবাধ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা গেলে তা দেশের সার্বিক কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
Daily Diner Alo