ঢাকা | বঙ্গাব্দ

আগামীকাল চূড়ান্ত অনুমোদন পাচ্ছে নতুন চার পাঠ্যবই

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 24, 2026 ইং
আগামীকাল চূড়ান্ত অনুমোদন পাচ্ছে নতুন চার পাঠ্যবই ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের বর্ণিল ইতিহাস, আবহমান ঐতিহ্য এবং নানা লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের গভীরভাবে পরিচিত করে তুলতে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ নামের বইটি মোট ১১টি নির্দিষ্ট অধ্যায়ে সাজানো ও প্রণয়ন করা হয়েছে।

এই পাঠ্যবইটির ভেতরে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও বর্ণিল চিত্রের মাধ্যমে ভাষা, ঐতিহ্যবাহী পোশাক, শিল্পকলার নানা শাখা, খাদ্যাভ্যাস ও খাদ্য সংস্কৃতি, সামাজিক বিভিন্ন রীতিনীতি এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যপূর্ণ জীবনধারা বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বইটির পাতায় পাতায় বাংলা বর্ণমালার চর্চা, বিদ্যালয়ভিত্তিক নানা উৎসব, জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং শীতকালীন পিঠা-পুলির সুমধুর মেলবন্ধনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাবা-মায়ের যৌথভাবে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং গৃহস্থালির কাজে পারস্পরিক সহযোগিতার এক আধুনিক ও সুন্দর রূপও এতে স্থান পেয়েছে।

বইটির একটি অত্যন্ত বিশেষ অধ্যায়ে শিশু-কিশোরদের দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণমূলক সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ি’র বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মহতী উদ্যোগের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের বেশ কিছু দুর্লভ ছবিও যুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে এনসিটিবি সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে আরও জানা গেছে, পড়াশোনাকে সব ধরনের ভীতি থেকে মুক্ত করে শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত আনন্দদায়ক করে তোলার সুনির্দিষ্ট দর্শন সামনে রেখে আসন্ন শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পড়ার টেবিলে আসছে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামের নতুন একটি পাঠ্যবই, যা দেশের চলমান শিক্ষাব্যবস্থায় সম্পূর্ণ একটি অভিনব ধারণা ও নতুন পাঠ্যক্রম হিসেবে যুক্ত হতে চলেছে।

আমাদের প্রচলিত প্রথাগত পরীক্ষা ব্যবস্থার ওপর থেকে চাপ কমিয়ে তার পরিবর্তে আনন্দময় অভিজ্ঞতা অর্জন, শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া এবং সহপাঠক্রমিক নানা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে কীভাবে খুব সহজে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব—তার বিস্তারিত দিকনির্দেশনা এই বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

নতুন এই পাঠ্যবইটি শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পড়াশোনার অতিরিক্ত পাঠ্যভার অনেকাংশেই অনেকটাই হালকা করতে সক্ষম হবে। এর সাহায্যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার আলোর সাহায্যে অত্যন্ত আনন্দঘন উপায়ে নির্দিষ্ট শিখন ফল অর্জন করতে পারবে।

পরিশেষে এনসিটিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা আরও পরিষ্কার করে জানিয়েছেন যে, এই বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মনে এই ধারণা গেঁথে দেওয়া যে, পড়াশোনা বা শেখা মানেই কেবল বই মুখস্থ করা কিংবা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া নয়। বরং নিজের জীবন, সুস্বাস্থ্য, পরিবেশের সুরক্ষা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, সৃজনশীলতার বিকাশ, পারস্পরিক সুসম্পর্ক এবং প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতার চলার পথ ধরেও কার্যকরভাবে শিক্ষাগ্রহণ করা সম্ভব।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Daily Diner Alo

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
না হং-জিনের সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার হোপ: রহস্য ও বিপর্যয়ের গল্

না হং-জিনের সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার হোপ: রহস্য ও বিপর্যয়ের গল্