নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রাজিলের সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রকাশ্যে সংশয় প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকদের সামনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই নির্বাচনকে ‘আরেকটি কারচুপিপূর্ণ নির্বাচন বলে মনে হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত ব্রাজিলের অনুষ্ঠিত হওয়া ওই নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা তথ্য পাওয়া যায়নি। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার সময়সীমা শেষ মুহূর্তে বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলের সমালোচকেরা নানা প্রশ্ন তুললেও, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা বিশাল ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেন। তাছাড়া, ভোট গ্রহণের সময় বাড়ানোর সেই সিদ্ধান্তের কারণে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে কোনো ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কার্যত ছিল না বললেই চলে।
অন্যিদকে, যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য হোয়াকিন কাস্ত্রো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেছেন, ফ্লাভিও বলসোনারোকে ব্রাজিল ত্যাগ করার ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ধরনের ভূমিকা পালন করেছে কি না, সে বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকে বিস্তারিতভাবে জানানো উচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে কাস্ত্রো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো নির্বাচনে পরাজিত হওয়া বা হেরে যাওয়া কোনো ব্যক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার বৈধ বা গ্রহণযোগ্য কারণ হতে পারে না। অথচ বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ফ্লাভিও বলসোনারোকে যুক্তরাষ্ট্রে একটি নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করে যাচ্ছে। অথচ লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ রয়েছে; যার মধ্যে দুর্নীতি, অর্থপাচার এবং মুদ্রা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধিমালা লঙ্ঘনের মতো গুরুতর বিষয় নিয়ে বর্তমানে আইনি তদন্ত চলমান রয়েছে। এমনকি ব্রাজিলের আদালত তাঁকে তাঁর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার কড়া নির্দেশও প্রদান করেছিলেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
Daily Diner Alo