নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
বিজ্ঞানের জগতে পদার্থের পরিমাণ হিসাব করার আন্তর্জাতিক একক বা এসআই ইউনিটের সাতটি মৌলিক এককের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো মোল। নির্দিষ্ট এই এককের মাধ্যমে মূলত রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপ করা হয়ে থাকে।
বিজ্ঞান ও রসায়নের পরিভাষায়, যেকোনো নির্দিষ্ট পদার্থের ঠিক এক মোলের মধ্যে অবিকল ৬.০২ গুণ ১০ এর ২৩ ঘাত সংখ্যক কণা বা পরমাণু, অণু কিংবা আয়ন বিদ্যমান থাকে।
যেকোনো যৌগের অণুর ক্ষেত্রে তার আণবিক ভরের ঠিক সমপরিমাণ ভরকে যখন গ্রামে প্রকাশ করা হয়, তখন যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পাওয়া যায় তাকেই মূলত এক মোল বলা হয়ে থাকে।
বিষয়টি আরও পরিষ্কার করার জন্য একটি সহজ উদাহরণ টানা যেতে পারে। পানির একটি অণুর আণবিক ভর হলো ১৮।
এর মানে দাঁড়াচ্ছে, ঠিক ১৮ গ্রাম পানি মানেই হলো অবিকল এক মোল পানি। আর এই ১৮ গ্রাম পানির নমুনার ভেতরে ঠিক ৬.০২ গুণ ১০ এর ২৩ ঘাত সংখ্যক পানির অণু উপস্থিত রয়েছে।
মূলত তরুণ প্রজন্ম এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে রসায়ন বিজ্ঞানের প্রতি গভীর আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই বিশেষ দিবসটি পালনের সূত্রপাত ঘটেছিল।
শিক্ষার্থীদের কাছে রসায়নকে কেবল ক্লাসরুমের চার দেয়ালের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে আরও বেশি মজাদার ও আকর্ষণীয় করে তোলার ভাবনা থেকেই আশির দশকে এই দিবস উদযাপনের ধারণাটি প্রথম মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল।
পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ প্রস্তুতি ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ‘ন্যাশনাল মোল ডে ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
Daily Diner Alo