নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবহৃত ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে মিলছে নানা ধরনের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী। এই ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
জুবেদা খাতুন এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, হাসপাতালের বর্জ্যের সঙ্গে প্রতিদিন নতুন সিরিঞ্জ, স্যালাইন এবং ক্যানুলা এসে জমা হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই সামগ্রীগুলো প্রথমে আলাদা বস্তায় ভরে সংরক্ষণ করা হয়। প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন পর যখন তিন থেকে চার বস্তা ভর্তি হয়, তখন সেগুলো পুনরায় হাসপাতালে ফেরত পাঠানো হয়। তবে বাকি চিকিৎসাসামগ্রীগুলো এরপর পাইকারি দরে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্রের অব্যবহৃত বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে বর্জ্য সংরক্ষণাগারে পৌঁছাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় নাগরিক সংগঠন 'ময়মনসিংহ মঞ্চ'-এর মুখ্য সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদ। তিনি এই পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।
ইমতিয়াজ আহমেদ আরও বলেন, এ ধরনের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী কীভাবে হাসপাতালের বাইরে চলে যাচ্ছে, সেই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা, দায় এবং তদারকির ঘাটতির বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা অতি জরুরি।
তিনি আরও যোগ করেন যে, এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা জড়িত রয়েছে, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনগত বা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
এদিকে এই পুরো বিষয়টির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত ঠিকাদার আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইলফোনে বা সরাসরি যোগাযোগের একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর কোনো ধরনের বক্তব্য বা মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
Daily Diner Alo