নিজস্ব প্রতিবেদক দিনের আলো পত্রিকা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে পার্কিংয়ের সুনির্দিষ্ট দাবির প্রেক্ষাপটে চালকদের ডাকা আকস্মিক অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট সাধারণ মানুষের জন্য তীব্র দুর্ভোগের সৃষ্টি করেছে। এই অপ্রত্যাশিত কর্মসূচির কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত ব্যক্তিদের মরদেহ এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তর করা সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়।
নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রিয়জনকে নিয়ে আসা মো. শাহীন জানান, তাঁর অসুস্থ দাদি হালিমা বেগম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে।
দাদির মৃত্যুর পর মরদেহ নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দীর্ঘ তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অ্যাম্বুলেন্সের দেখা পাননি শাহীন। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, এই সংকটময় মুহূর্তে কোনো সরকারি অ্যাম্বুলেন্সও তাঁর চোখে পড়েনি।
একই ধরনের চরম বিপত্তির মুখে পড়েন যাত্রাবাড়ী থেকে আসা মোহাম্মদ মনির হোসেন। তাঁর গুরুতর অসুস্থ ভাগনে মো. রাসেলকে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে অতি জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেলের দিকে মারা যান ২২ বছর বয়সী মোটেও প্রস্তুত না থাকা তরুণ মো. রাসেল। ভাগনের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনো অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় গভীর সংকটে পড়েন স্বজনেরা।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
Daily Diner Alo